বুধবার   ০৪ আগস্ট ২০২১   শ্রাবণ ২০ ১৪২৮   ২৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

প্রস্তুতি নয়, সাহস হলেই চলবে!

স্টার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর ২০২০  

কাতার আগ্রহ দেখানোয় ফের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আলোচনা শুরু হয়ে গেছে দেশের ফুটবল অঙ্গনে। এশিয়ার চ্যাম্পিয়নরা চায় ৪ ডিসেম্বর দোহায় বাংলাদেশের বিপক্ষে বাছাইপর্বের ফিরতি ম্যাচটি খেলতে। যদিও করোনার কারণে বাছাইপর্বের সব ম্যাচ আগামী বছর নিয়ে গেছে ফিফা। তারপরও ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশটি ফিফার কাছে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। ফিফা অনুমতি দিলেই হবে ম্যাচটি। যদিও গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ খেলার জন্য যতটুকু প্রস্তুতি প্রয়োজন, সেটা নেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের। সাত-আট মাস খেলার বাইরে থাকা ফুটবলাররা মাত্রই প্রস্তুতি শুরু করেছে আসন্ন নেপাল সিরিজের জন্য। ১৩ ও ১৭ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে এ দুটি ম্যাচের জন্য শুরু হওয়া ক্যাম্পের ফুটবলারদের ফিটনেস মোটেই আশানুরূপ নয়। দীর্ঘ বিরতির পর ফিটনেস ঘাটতি কমপক্ষে দেড় মাস সময় প্রয়োজন। সে সময় মিলছে না। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা যখন মাত্রই ফিটনেস নিয়ে ঘাম ঝরাচ্ছে, তখন কাতারের ফুটবলাররা ব্যস্ত তাদের ঘরোয়া লিগ ও এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ নিয়ে। অর্থাৎ করোনার চোখ রাঙানি এক পাশে রেখে সে দেশের ফুটবলাররা এখন ম্যাচ ফিট পর্যায়ে রয়েছেন। এশিয়ার সেরাদের তাই মোকাবিলা করতে হবে ফিটনেসের ঘাটতি নিয়ে।

বাফুফের সহ-সভাপতি ও জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ ঘাটতি মেনেই একটা জায়গা থেকে শুরুর পক্ষে কথা বলেছেন। কাতারের প্রস্তাবে সায় দেওয়ার পর প্রশ্ন উঠছে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া কেন বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ? গতকাল জাতীয় দল কমিটির প্রথম সভা শেষে নাবিল এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘খেলাটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এটা ঠিক ম্যাচটা মার্চে হলে ভালো হতো। তবে যখনই হোক খেলতে তো হবে। এক জায়গা থেকে তো শুরু করতে হবে। আমাদের আরও তিনটি ম্যাচ আছে। লুকিয়ে থাকলে তো ম্যাচ খেলা হবে না। রেজাল্টের কথা, আশংকার কথা চিন্তা না করে সাহসের সঙ্গে খেলতে হবে।’ কাতারের ম্যাচটা নিশ্চিত হলে নেপালের সঙ্গে সিরিজের শেষ ম্যাচটি ১৭ নভেম্বর খেলার দু’দিন পরেই জামাল ভুঁইয়াদের দোহার বিমান ধরতে হবে।

ভবিষ্যতে ফিফা উইন্ডোগুলোতে একাধিক ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও বলেছেন নাবিল।

স্টার ভয়েস ২৪
স্টার ভয়েস ২৪
এই বিভাগের আরো খবর