রোববার   ২৪ অক্টোবর ২০২১   কার্তিক ৯ ১৪২৮   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সিনেমার গল্প কেন নকল হয়?

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০১৯  

ঢাকা হোক বা কলকাতা- নকল গল্পের সয়লাব সব জায়গায়। অথচ একটা সিনেমা কতটা সফল হবে তা নির্ভর করে সংলাপ ও চিত্রনাট্যের উপর। লেখকরা বলছেন, এই দিকে প্রযোজকদের তেমন নজর নেই।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক প্রযোজক বাজেট কমানোর প্রয়োজনে রিমেক ছবি বানাতেই বেশি আগ্রহী। তাই লেখকদের কোনো উপায় থাকে না।

সাম্প্রতিক বছর বিবেচনায় বাংলাদেশের ব্যবসাসফল সিনেমার অন্যতম শাকিব খানের শিকারি ও নবাব। এই দুই সিনেমার চিত্রনাট্যকার কলকাতার পেলে ভট্টাচার্য। এ ছাড়া পুরোপুরি দেশি প্রযোজনা ‘বিজলি’র লেখকও তিনি।

রিমেক নিয়ে পেলে বলেন, “আমরা নিজের লেখা নিয়ে এগোতে পারি না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রিমেক লিখতে হয় এবং রিমেক লিখি বলে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হতে হয় আমাদের।”

পেলে বলেন, “আসলে শিবপ্রসাদ, কৌশিক গাঙ্গুলি অথবা সৃজিত মুখোপাধ্যায় নিজেদের চিত্রনাট্য নিজেই লেখেন। আমরা যারা ডিরেক্টর-রাইটার নই, শুধু রাইটার, রিমেক ছবির সময় তাদেরই ডাকেন প্রযোজকেরা। পেশার তাগিদে আমাদের লিখতেও হয়। তাদেরও সব সময় দোষ দেওয়া যায় না। দিন বাড়লেই পয়সা বাড়ে। তাই রিমেক ছবি করে কম বাজেটে ফিট করার চেষ্টা। আমাদের নিজেদের গল্প নিয়েও এগোতে পারি না। হয়তো ৭০টা গল্প ভেবে রেখেছি আমি কিন্তু প্রযোজক সে সব না শুনে, তার নিজের ভাবা কোনো প্লট নিয়েই লিখতে বললেন।”

তিনি আরও জানান, কনসেপ্ট চুরি যাওয়াও একটা সমস্যা। আর এই ঘটনা কলকাতায় প্রায়ই ঘটে। এমনকি স্ক্রিন রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনে কোনো কনসেপ্ট নিবন্ধন করার পরও সেটা চুরি হতে পারে।

পেলে বলেন, “আমি লিখলাম যে নীলাঞ্জন দুর্গাপুর থেকে কলকাতায় এসে মীরার প্রেমে পড়ল। সেটাকে অন্য কেউ হয়তো এইভাবে বললেন যে অমিত শিলিগুড়ি থেকে হাওড়া স্টেশনে এসে নামলেন। তার সঙ্গে ঊষসীর দেখা ও তাদের মধ্যে প্রেম হলো।”

এমন যে, চুরিগুলো এমনভাবে হয় যে সব সময় চ্যালেঞ্জ করার সুযোগও থাকে না।

স্টার ভয়েস ২৪
স্টার ভয়েস ২৪
এই বিভাগের আরো খবর